কারবালার ক্বছীদাহ শরীফ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কারবালার ক্বছীদাহ শরীফ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২ জানুয়ারি, ২০১১

ইলাহীর রেযা পেতে শহীদ হলেন কারবালাতে,


ইলাহীর রেযা পেতে

ইলাহীর রেযা পেতে
শহীদ হলেন কারবালাতে,
নবীজীর মত ও পথে
রইলেন ইস্তিক্বামতে ॥

কূফাবাসীর ডাকে
ঈমান হুসাইন যান এগিয়ে,
আহলে বাইতকে নিয়ে
আটকে যান কারবালা গিয়ে,
ইয়াযীদ বাহিনী হযরত ইমাম হুসাইনকে
আটকে রাখে তাঁবুতে ॥

তাঁবুতে থাকেন তিন দিন
খানা-পানি না খেয়ে
পানি পিপাসার যন্ত্রণায়
ছট্ফট্ করেন নিরালায়
পাষাণ মুনাফিক ইয়াযীদ
অটল রয় কষ্ট দিতে ॥

পানি দেয় না পান করতে
পানি আছে ফোরাতে
পানির পিপাসাতে
চিৎকার করেন ভূমিতে ॥

পানি নিতে যান ফোরাতে
শিশু আছগরকে নিয়ে
ইয়াযিদ বাহিনী পানি না দিয়ে
মারে তীর শিশুর বুকেতে ॥

ইয়াযীদ বাহিনী কারবালায়
ইমাম হুসাইনকে তীর মেরে হায়
দেহ থেকে মস্তক নিয়ে যায়
কাফির ইয়াযীদের হাতে ॥

সাইয়্যিদী আহাল-ইয়াল
মাথা নত করিলেন না
একে একে শহীদ হলেন
ঐ কারবালার মাটিতে ॥

হযরত ইমাম হুসাইনের মুহব্বতে
যার অশ্রু ঝরে আঁখিতে
পার পাবে সে পুলসিরাতে
যাবে শ্রেষ্ঠ জান্নাতে ॥


সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১০

কাঁদায় শুধু অন্তরে


কাঁদায় শুধু অন্তরে
অন্তরে অন্তরে
কাঁদায় শুধু অন্তরে

ইমাম হুসাইন শহীদ হলেন
ওই কারবালার প্রান্তরে
এই হৃদয় বিদারক ইতিহাস
কাঁদায় শুধু অন্তরে।

দেখ!বেঈমান কুফাবাসী
করলো সব সর্বনাশী
ইমামজীকে আহবান করে
রইলো না ইমামজীর দ্বারে।

নবীজির বংশ করতে উজাড়
চায় ইয়াযীদ সৈন্য বারবার
ইয়াজিদের হুকুমে তারা
আহলে নবীকে শহীদ করে।

পানি পান করতে দেয় বাধা
ওদের কতো বড় স্পর্ধা
চিনলো না ওরা সাইয়্যিদজাদা
শিশু আছগর কাঁদেন অঝোরে।

আহলে নবী পানি পিপাসায়
কাতরান আহা ওই কারবালায়
কে পানি দিবে কাফেলায়
কাফিররা রেখেছে ঘিরে।

বিরহ বেদনা সহ্য করে
রইলেন ফোরাতের তীরে
নানাজানের ইসলামী ঝাণ্ডা
রাখলেন উঁচুতে ধরে।

তরবারি হাতে ঘোড়ায় চড়ে
যুদ্ধে যান শির উঁচু করে
খতম করতে কাফিরদেরে
ইমামজী রসূলী নূরে।

ইমামজীকে কাফেরেরা ঘিরে
বৃষ্টির মতো তীর মারে
কারবালা রক্তে রঞ্জিত
আহলে বাইত বন্দী শিবিরে।

আহলে নবী জান্নাতী ফুল
শহীদ হতে হলেন ব্যাকুল
ইলাহী করলেন কবুল
গেলেন দুনিয়া ছেড়ে।

ওই শহীদে কারবালা


ইয়া কারবালা, সালামুন ইয়া আশূরা
ইয়া শহীদে কারবালা,
ওই শহীদে কারবালা, বাড়ায় দিলের জ্বালা
অশ্রুসজল নয়নে, কাঁদে জিন ও ইনসানে।

ইয়াযীদ ক্ষমতার লোভে, দিলো ইসলাম ছেড়ে
বাইয়াত হতে বলে, পাষাণ ওই কাফিরে
ইমামজী বাইয়াত না হয়ে, গেলেন মদীনা ছেড়ে
মক্কাতে বাকি জীবন, কাটাবেন বন্দেগী করে।

কুফাবাসী করে চিঠি প্রেরণ, করবে কুরবান জীবন
চিঠি পেয়ে ইমামজী, কুফাতে করেন গমন
ওই বেঈমান কুফাবাসী, আহলে নবীর দুশমন
প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে, ইয়াযীদরে করে আপন।

ইমাম হুসাইন, পৌঁছান ওই কারবালায়
নানাজীর বাণী মুবারক, স্মৃতিতে এসে যায়
জালিম ইয়াযীদ বাহিনী, হুসাইনী কাফেলা আটকায়
কূটকৌশল করে ওরা, যুদ্ধ করতে চায়।

অর্ধহারে, অনাহারে কাটান দিন ও রাত
পাশেই রয়েছে হায়! বিশাল নদী ফোরাত
পানি পান করতে দেয়না, ওই ইয়াযীদ বাহিনী
পানি তৃষ্ণায় আহাজারি, করেন আহলে বাইত।

হাতে তরবারি নিয়ে, ইমামজী যান এগিয়ে
দুশমনকে খতম করে, জাহান্নামে দেন পাঠিয়ে
যুদ্ধ করেন ইমামজী, রসূলী ফায়েজ নিয়ে
দুঃখ কষ্ট যাতনা, কারবালা দেয় বাড়িয়ে।

ইমামজীকে কারবালায়, তীর মারে হায়!
তরবারির আঘাত করে, মস্তক নিয়ে যায়
আহলে নবীর আশিক, কে আছো দুনিয়ায়
প্রতিশোধ নিতে চলো, আজই ওই কারবালায়।