সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১১

মোদের মালিকা, মালিকা, মালিকা ॥ ॥



মোদের মালিকা, মালিকা, মালিকা ॥ ॥
-মাওলানা মাসুমুর রহমান

মোদের মালিকা করেন রহম
কবুল করেন; মোরা গোলাম
রহমতের মালিকা করেন রহম ॥

জান্নাতী ফুল মুজাদ্দিদ বাগিচায়!
ঈদের আমেজ সারা দুনিয়ায়!
আসমানবাসী জাহান সাজায়
ভুবন মোহিত সুর-মূর্ছনায়!
আসমানে চাঁদ-সুরুজ কোথায়!
কাদের আলোয় সৃষ্টি চমকায় ॥

আরশ আযীমে মীলাদ হয়
শানে ক্বাছীদা হাবীবী রওযায়-
নানাজান-নানিজানের মায়ায়
শাহযাদী উলার নূরানী কায়ায়-
তাশরীফ নিলেন শাহ নাওয়াসীদ্বয়
খুশির জোয়ার সারা দুনিয়ায় ॥

ইলাহীর কুদরত জাহির ধরায়!
হাবীবী ইহসান শাহ নাওয়াসীদ্বয়!
আরশী মেহমান আহালী ছায়ায়
শাহযাদী ছানীর সোহাগী হৃদয়
রহমত বর্ষান ফাতিমী খাজিনায়
যমীনবাসী খুশির ফোয়ারায় ॥

পুষ্পিত গোলাপ নববী ধারায়
ছড়াতে পয়গাম কুল কায়িনায়-
খলীফাতুল উমামের ছোঁয়ায়
ক্বাদেরী জননীর তাক্বওয়ায়;
গগনে জোড়া চাঁদ চমকায়
জান্নাতী নূর শাহদামাদ হুজরায় ॥



অধম আসি সব ছেড়ে


অধম আসি সব ছেড়ে
-মুহম্মদ হারুনুর রশীদ, বাউনিয়া, ঢাকা।

মামদূহ মামদূহ মামদূহ
মামদূহ মামদূহ মামদূহ।

মামদূহ আক্বার ক্বদম চুমিতে
অধম আসি সব ছেড়ে
নিন গো মামদূহ ক্বদমে
আধম এই গোলামে।

চলে এলাম সবই ছেড়ে
নূরী পাক ক্বদমে
যাব নাতো আর ফিরে যে
চাইছি নিছবত মামদূহজী।

হৃদয় আমার বারে বারে
মামদূহজীকে চাহে
ব্যথা আর যন্ত্রণাতে
আছি পড়ে বহু দূরে।

জীবন আমার পূর্ণ হলো
আক্বাজী আপনার পরশে
রহম করম পেতে গোলাম
করে যিকির মামদূহজীর।

মনে জাগে শত আশা



মনে জাগে শত আশা
মুহম্মদ হারুনুর রশীদ বাউনিয়া

মামদূহজী মামদূহজী
মামদূহজী মামদূহজী।

মামদূহজী মামদূহজী
মামদূহজী মামদূহজী
রহম চাহি করম চাহি
এ ভিখারী আদনা।

রসূল পাকের নূরে গড়া
আপনারই নূরী বদন
ছোহবতে নূরী নূর পায়
সকল মুরিদ মুরিদান।

লাখো মুরীদ পায় রহমত,
আপনারই নিছবতে
নূরের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকি
চুপে চুপে হৃদে জপি।

মনে জাগে শত আশা
পূরণ করুন আক্বা ক্বিবলা
আপনার রহমত ছোহবত পেলে
পূর্ণ হবে সকল আশা।

পুলসিরাত পার করিয়েন
অধমেরে চিনিয়া
দয়া মাগি ক্ষমা মাগি
ক্বদমেতে লুটাইয়া।

বেদনাদায়ক কারবালা


বেদনাদায়ক কারবালা
-মাওলানা মুহম্মদ নাজমুল হুদা ফরাজী

কি যে বেদনাদায়ক, কারবালা
কারবালা, কারবালা, কারবালা

ফোরাতের তীর করে অসি'র
অশ্রু ঝড়ায় বিয়োগ ব্যথার
প্রাণ সবার করে জ্বালা। -ঐ

শয়তানী মাক্বামে হয়ে আসীন
ইয়াযীদ- আলে রসূলদের করতে চায় বিলীন
হইবে বায়াত হুসাইনী হাতে
মিথ্যা খবরে আনে কূলে ফোরাতের।
লে রসূল ঘিরে থাকে, ইয়াযীদী ডালাপালা।

তিনটি প্রস্তাব দেন হযরত হুসাইন ইমাম
ইবনে যিয়াদ উহা করে প্রত্যাখ্যান
হয় জিহাদ নয় মুবারক শির
চায় মালউন যিয়াদ কাফির
হয় না দয়া কারো ঐ নিদান বেলা।

ছবরে জামিলে হয়ে আসীন
ইমাম করেন দোয়া সবে বলে আমীন! আমীন!
বীর বিক্রমে জিহাদ করে সব সঙ্গীগণ
একে একে সবাই করে শাহাদাতবরণ
হুর মালায়িক সবারে পড়ায় জান্নাতী মালা।

ফোরাতের তীর ঘিরে রাখে, ইয়াযীদ নির্দয়
লে রসূল পাবেন না পানি, আর পাবে সবায়
পিপাসায় শিশু আছগরের প্রাণ যায় যায়
মিলে না নীর মিলে তীর ঐ শিশুর হৃদয়
ওরা এমনই পাষাণ, দেয় না হৃদয়ে স্নেহের দোলা।
শহীদী অমীয় সুধা
পান করিলেন নবী পরিবার
জান্নাতেরই মেহমান
হলেন শিশু আছগর
যে ইতিহাস কাঁদায় সবারে
যায় না কভু কখনো ভোলা।

সবশেষে হযরত ইমাম সামনে হন অগ্রসর
শত্রুকে কতল করে, করে লাশের স্তর
বৃষ্টির মত তীর মারে আমরের ইশারায়
রক্ত ক্ষরণে ইমাম মাটিতে পড়ে যায়
করে না দয়া মায়া ঐ ইবলিস চেলা।

হিংস্র কুকুর, বদ বখত জালিম সীমার
ইমামের বুকের উপর হয় সাওয়ার
মস্তক মুবারক বিচ্ছিন্ন করে নাদান
শহীদের অমীয় সুধা ইমাম করেন পান
ঐ ইতিহাস যায় না ভাবা, যায় না বলা।

মুবারক শির, নিয়ে সীমার
চলে যায় ইবনে যিয়াদের আসর
বিঁধে উহা বর্শার মাথাতে
যিয়াদ ঘুরায় কুফার পথে পথে
ঐ নির্মম কাহিনী শুনে, বাড়ে হৃদয় জ্বালা।

ছল্লু আলা শুহাদায়ে কারবালা


ছল্লু আলা শুহাদায়ে কারবালা
-আব্দুল্লাহ মুহাজির গোলাম মুনজির মুহম্মদ

ছল্লু আলা-শুহাদায়ে কারবালা
ছল্লু আলা-শুহাদায়ে কারবালা ॥

হাবীবুল্লাহর লখতে জিগার,
ইমাম হুসাইন, নূরে নূরাইন
শহীদে মহান ॥

হক্ব প্রকাশে, বাতিল বিনাশে,
হাবীবী শানে, সম্মুখ পানে
হলেন আগুয়ান ॥

খোদার পেয়ারা, নববী সিতারা,
সুন্নাহ নিয়তে, দীপ্ত শপথে
রহেন বলীয়ান ॥

নূরানী জালওয়ায়, মাদানী পতাকায়,
জান্নাতী তবকায়, হাবীবী ইশারায়
সদা অনির্বাণ ॥

আহাল পরিজন, কতই যে আপন,
রসূল নূরী ধন, দেহ তনুমন
করেন কুরবান ॥

করলো কি সীমারে, ফোরাতের তীরে,
যমীন উত্তাল, রক্তে লালে লাল
কারবালা ময়দান ॥

জিন্দিক্ব ইয়াযীদ, বাতিল সৈনিক,
জনম জনম ধিক, জানাতে নির্ভিক
উম্মাহর মুমিনপ্রাণ ॥

ইমামে আবেদীন, গাজীয়ে সাইয়্যিদীন,
নববী ধারাতে, মামদূহজী আসীন
উড়াতে হক্ব নিশান ॥

দশই মহররম, জনম জনম,
আসবে যখন, করে তার স্মরণ
আরশ কম্পমান ॥

মুজাদ্দিদের ছায়া তলে


মুজাদ্দিদের ছায়া তলে
-আব্দুল্লাহ মুহাজির গোলাম মুনজির মুহম্মদ

মুজাদ্দিদে আযম মামদূহ,
উনার কদমে হও রুজু।

মুজাদ্দিদের ছায়া তলে,
এসো মুসলিম দলে দলে।

সামিল হওরে সুন্নাহ রঙ্গে,
বাতিল বিদয়াত করে নিভু।

তিনি মুর্শিদ এ উম্মাহর,
ওলী কুলে তিনি রাহবার।

হক্বের দিশা পেতে সবে,
উনার কদমে দাও চুমু।

মুর্শিদ সুলতানুন নাছীর,
দিশাহীন উম্মাহর দাস্তগীর।

বিপদ-আপদে উদ্ধারিতে,
নিরাশ করেন না (তিনি) কভু।

উম্মাহ মাঝে নবী যেমন,
মুরীদেও মুর্শিদজী তেমন।

ছাহাবা শানের গোলামীতে,
মুর্শিদ যিকিরে থাকো শুধু।

জীবনে সবচে সেরা ধন,
মামদূহ ও নূরী আহালজন।

দায়েমী নূরানী নিছবত,
পেতে নিশিদিন ঝরে অশ্রু।

রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১১

শানে বিলাদতে আক্বা শাহযাদা


শানে বিলাদতে আক্বা শাহযাদা
শানে বিলাদতে শাহযাদা জানের নেইকো তুলনা যে
পাইনি খুঁজে কোথাও এমন হিদায়েতের নূর
শাহযাদা আক্বা নূরানী - হক্ব
পেয়ারা আক্বা নূরানী
প্রাণের আক্বা নূরানী
জানের আক্বা নূরানী
হাদিয়ে আক্বা নূরানী
শাহযাদা আক্বা নূরানী
ঝাণ্ডা মোর আক্বার, আক্বা শাহযাদা
এ ঝাণ্ডা যে হক্বের, আক্বা শাহযাদা!
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ॥

ইখলাছি তাছাউফ পিয়েছেন আপনি হয়েছেন রূপে নূরানী
বাড়ে হিম্মত ছোহবতে তব জাগে যে জোশ রূহানী
ইবলিসি সামানা নাশে হানেন তাছাউফের তুর

শাহযাদা আক্বা নূরানী- হক্ব॥
পেয়ারে আক্বা নূরানী!
সরকারের নিয়ামত আক্বা শাহযাদা
আক্বার রহমত আক্বা শাহযাদা
হাবীবের ইহসান আক্বা শাহযাদা
সবে তওবা করি শানে শাহযাদা
সবে ক্ষমা চাহি শানে শাহযাদা
আরো উঁচিয়ে বলুন আক্বা শাহযাদা
মিল করে বলুন আক্বা শাহযাদা
চমকিয়ে বলুন আক্বা শাহযাদা
সবে চমকিয়ে বলুন আক্বা শাহযাদা
দিল খুলে বলুন আক্বা শাহযাদা
জান দিয়ে বলুন আক্বা শাহযাদা
প্রাণ ঢেলে বলুন আক্বা শাহযাদা
সবে জাগিয়ে বলুন আক্বা শাহযাদা
ঝাণ্ডা মোরা আক্বার, আক্বা শাহযাদা
এ ঝাণ্ড যে হক্বের, আক্বা শাহযাদা
সবে জোরসে বলুন আক্বা শাহযাদা
সবে উচিয়ে বলুন আক্বা শাহযাদা
মিল করে বলুন আক্বা শাহযাদা
শাহযাদা আক্বা নূরানী- হক্ব ॥

শাহযাদা আক্বা নূরানী
পেয়ারে আক্বা নূরানী
বলুন সুবহানাল্লাহ সুবহানাল্লাহ

যবে বাতিল রোষে মজলুম হৃদে করে দুরু দুরু শঙ্কা
রোবে হায়দারী জোশে খিলাফতী হাঁকেন নূরানী ডঙ্কা
তিমির কেটে আক্বা শাহযাদা বাতিল করেন চূর

শাহযাদা আক্বা নূরানী- হক্ব ॥
পেয়ারে আক্বা নূরানী
সরকারের নিয়ামত আক্বা শাহযাদা
আক্বার রহমত আক্বা শাহযাদা
মিল করে বলুন আক্বা শাহযাদা
উঁচিয়ে বলুন আক্বা শাহযাদা
আরে জাগিয়ে বলুন আক্বা শাহযাদা
দিল খুলে বলুন আক্বা শাহযাদা
জান দিয়ে বলুন আক্বা শাহযাদা
প্রাণ ঢেলে বলুন আক্বা শাহযাদা
শাহযাদা আক্বা নূরানী
সুবহানাল্লাহ

মোদের সাইয়্যিদ, মোদের শায়খ, আপনি ওলীয়ে কামিল
কুল কায়িনাত পায় যে নাযাত তব ঝান্ডায় হয়ে শামিল
আওলাদে রসূল আপনি মোদের অপরূপ মাদানী (আক্বা) নূর ॥

শাহযাদা আক্বা নূরানী- হক্ব ॥
ঝাণ্ডা মোর আক্বার, আক্বা শাহযাদা
এ ঝাণ্ড যে হক্বের, আক্বা শাহযাদা।

হে কুবরা আম্মাজী


 হে কুবরা আম্মাজী
-মুহম্মদ সাইয়্যিদুজ্জামান।

হে কুবরা জননী, নূরে মাদানী
তব বিনে মমতার, কেহ নাহি,
হে নূরে খাদিজা আপনি বিহীন
অভাগা মোদের আর কেহ নাহি।

যতই থাকি দৃষ্টির বাহিরে
নেক নজরে সদা মিশে রহি,
দোজাহানের আম্মাজী তব বিহীন
রহম নজরানার কেহ নাহি।

হয়ে বেকারার দাঁড়ায়ে দ্বারে
ভিক্ষার ঝুলি পেতে রহি,
হে ছখিয়ে আযিমা আপনি বিহীন
তোহফায়ে নববী কেহ নাহি।

মম পানে তব নেক নজর হলে
মাগফিরাতের দরজা যায় খুলি,
হে কুবরা শাফিয়া তব বিনে
হাশরের উছিলা কেহ নাহি।

বড়ই মুসিবত লয়ে আম্মা
কেঁদে কেঁদে মনের আরজি কহি,
স্নেহময়ী আম্মাজী তব বিনে
মেহেরবানীওয়ালী কেহ নাহি।

দয়ার আদরের পরশ পেয়ে
শুকরিয়ায় সদা ডুবে রহি,
নকশায়ে মামদূহজী আপনি বিনে
হাবীবা ইলাহী কেহ নাহি।

কদমে রাখুন এমনতর
দোহজাহানের তব সোহবতী চাহি,
কাওনাইনের মাঝে আপনি বিহীন
সাইয়্যিদা রাহবার কেহ নাহি।

আল্লাহ ও রসূল বিনে আপনি সবই


আল্লাহ ও রসূল বিনে আপনি সবই
ডাঃ মুহম্মদ রাশেদুল আবেদীন, নিউইয়র্ক, ইউ এস এ

আল্লাহ ও রসূল বিনে আপনি সবই
দেহ-মন আপনারই চরণে সপি,
যুয্ এ রসূল আপনি, যুগেরই সাইয়্যিদ,
আল্লাহরই শুকর বারবার জপি।

নেয়ামতে দুজাহান আপনারই কড়ে
দুর্জনে যতই দুর্মুখ দুর্মত করে,
ঈমানে শনৈ মোরা ততোই যেন বাড়ি
নেয়ামতে ফয়েযাতে নেই কাড়াকাড়ি।

রুহানী পথের আপনি আমীরে সালেকীন
নিজে আপনি রসূল ও খোদাতে বিলীন।
ঈমান ও বুলন্দীতে আপনি সবারই আগুয়ান,
সালেকেরা পিছে ছুটে-দিয়ে জান ও প্রাণ।

আপনারই বারাকাতি ইহসানে ও প্রকাশনে
বিশ্বের আনাচে ও কোণে কোণে,
ঈমানী যযবার বয়েছে হাক্বীক্বী মহাস্রোত,
শয়তানী যূনুদের তাই মহাক্রোধ।

যতই পরাক্রমশালী শত্রু যতই পসার
ধরাশায়ী হবেই তারা- নেই নিস্তার,
ঈমানে-আমলে মোরা যতই পাই বল
পীড়ায়ে পড়বে তাদের খর্ব কপল।

দোয়া করুন যেন মোরা বলীয়ান হই
ঈমান ও আক্বীদাতে শনৈ শনৈ,
ইহকালে-পরকালে যেন আপনারি ছায়াতে রই
তাওয়াজ্জুহ, মুহব্বত ও মারিফত পাই সবই।

খোদারও রওশনে আপনি রবি
রসূলেরও মুহব্বতে আপনিই কবি,
দানেশযূরা ক্বদম চূমো ফানা হবি
আল্লাহ ও রসূল বিনে আপনি সবই॥

শাহী আম্মাজান


শাহী আম্মাজান
-গোলাম মুহম্মদ তহসীনুর রহমান

শাহী আম্মাজান
তাশরীফে আলীশান আম্মাজান
গোলাম কুল সদা কুরবান ॥

গুমরাহী থেকে আম্মাজী সত্য পথ দেখান
তাঁর নজরে মুসলিমারা হচ্ছে আমান
মুমিন মুমিনাদের ঈমান
স্বয়ং আম্মাজী ইহসান ॥

আম্মাজী ক্বিবলা হলেন রসূল পাক-এর রায়হান
তাঁর ছোহবতে মিলে মোদের হাক্বীক্বী ঈমান
আম্মাজী মুর্শিদী যবান
ইলাহীর মহা দান ॥

মহান আল্লাহ পাক সৃষ্টিকে করেন এলান
ধরাতে আম্মাজী ক্বিবলা হন মুক্তির সামান
অধমদের দৃষ্টি বিলান
দৃষ্টিতে মিলবে আসান ॥

আম্মাজী ক্বিবলা জান্নাতী গুলে গুলশান
হুর গেলমান সবে তাঁর ক্বদমে চুমান
সালিকা আম্মার আশিকান
হরদম গোলামীর আরমান ॥

তব ক্বাছীদা লিখার তৌফিক চাই আম্মাজান
আপনার ক্বাছীদা লিখা ইবাদত মহান
ক্বাছীদা লিখে তব শান
যাবে গোলমীর জান ॥

আউয়ালে শাহযাদী ক্বিবলা-


 আউয়ালে শাহযাদী ক্বিবলা-
নববী নূরে উজ্বালা;
আম্মা খাদিজার রওশন,
পেয়ে হন মাদানী লালা।

ছিদ্দীক্বা মা আয়িশার-
আদরের প্রথমা মহাধন;
মেহবুব হয়ে তাশরীফেন,
গুলে গুলশান মামদূহর নন্দন।
নকশায়ে ফাতিমাতুয যাহরা-
নূরানী শাহযাদী ক্বিবলা।

সৃষ্টির সেরা মালিকা-
তিনি উস্ওয়াতুন হাসানা;
ধরণীর বাতিল মেটাতে,
পাঠালেন স্বয়ং রব্বানা।
আম্মাজী নূরানী রেহেমে-
আসিলেন শাহযাদী ক্বিবলা।

আরশের সুগন্ধিতে মাখা,
স্নিগ্ধ সুবাসে মদীনার;
রহমে রসূলী শওকত,
করমে রাঙা মামদূহ আক্বার।
সিরতে ছুরতে বেমেছাল-
নূরানী শাহযাদী ক্বিবলা।

সালিকা সব হইছে বেকারার-
পেয়ে সেই শ্রেষ্ঠ ওছীলা;
আরজী নূরানী ক্বদমে-
যিকির হোক শাহযাদী উলা;
যিকির হোক শাহযাদী উলা-

নূরানী শাহযাদী ক্বিবলা;
প্রথমা শাহযাদী ক্বিবলা।

আম্মা গুলে গুলশান-



আম্মা গুলে গুলশান-
উম্মে মুহম্মদুল্লাহ

আম্মা গুলে গুলশান, আম্মা গুলে রায়হান
ওয়ারাউল ওয়ারা শান
আপনি ওলীয়া মহান ॥

আপনি খোদার হাবীবা, মুর্শিদী দিলরূবা
সালিকাদের দিল কাবা
আপনি হাদিয়ে জাহান ॥

ইলিম বিলান অকাতরে, জগতের সর্বস্তরে
আলোড়ন বিশ্ব জুড়ে
আপনি খোদারী ইহসান ॥

দূর করে সব ফাসাদ; করেন সুন্নাহরী আবাদ
হয় যে জাহিলি তরবাদ
হলো সত্যে আগুয়ান ॥

আম্মার মুবারক বয়ান, শোনো তামাম মুমিনান
শুদ্ধ করে নাও ঈমান
ক্বদমে হও কুরবান ॥

নারীদের দুর্দিনে হাল ধরেন জাহানে
ঝলকে মুর্শিদী শানে
আপনি সদা আলীশান ॥

আপনি সত্যের সওগাত, নিয়ামতে আজিমাত
দানেন মোদের বারাকাত
সাইয়্যিদায়ে যামান ॥

তাবে হতে চাহি মোরা গোলাম


তাবে হতে চাহি মোরা গোলাম
-বিশ্বকবি আল্লামা মুহম্মদ মুফাজ্জলুর রহমান

মামদূহজীর রেজার মুহতাজ মোরা, পাক ক্বদমে রহি
মামদূহ ছাড়া দোসরা চাওয়া, হাক্বীক্বতে নহে ছহী
হে ছহীবে কাছিম, বাটেন মোদের দয়া
ইহসানেই রুজু রহি, যোগ্যতায় না পাওয়া।

তাবে হতে চাহি মোরা গোলাম ॥

ইমামে আযম, আকবরে রাহনুমা
বেমেছাল নাজাতের জিম্মা
বর হক্ব উছিলা, দেনেওয়ালা, রহমত অবিরাম।

ইয়াক্বীন করি মোদের তরেই, মামদূহজী আউয়াল আখির
তিনি বিহীন রহি বিমুখ, ইহাই আশিক্বানের যিকির।
আক্বাই হন মোদের স্মরণ
তিনিই মোদের জীবন-মরণ
বাঁচি ক্বিবলাজীর আশ্রয়ে, ইহা সত্যই কহিলাম।

খলীফায়ে খালিক্ব মামদূহ, করেন যে ওলী তৈরি
পথ হারাদের তিনিই ধরে, ক্বলব ইছলাহে রাখেন জারি
আশিক্ব মাশুকের সেরা সেতু
রাখেন না মোদের ভিতু
আক্বার ফায়েজেই রই দারাজবান, যুগ যুগান্তরের কালাম।

জাহির বাতিন দু দরিয়ায়, সহজেই করি ছফর
তাক্বমিলী তবকায় খুছুছি, বখশালেন মামদূহ বিস্তর
নহি মোরা গরীব মিসকীন
ভাণ্ডার রয় মামদূহর অধীন
ছহীবে গণী আক্বা ক্বিবলা, অনন্তই দিচ্ছেন আঞ্জাম।

আল্লাহ ও রাসূলেরই খোঁজ, মামদূহ দেন সহজ করে
আরশ ও মদীনা বিরাজ, ক্বিবলাজীর পাক দরবারে
আহলে বাইতের শাহী দানে
ধন্য করেন মোদের এনে
মামদূহর রোবেই রই বলিয়ান, রেনেসাঁয়ে দ্বীন ইসলাম।

মামদূহ ও আহাল পাক সম, জগতেই রহে বিরল
ভাগ্যবান আমরা মুরীদান, মিটে যায় সকল গরল
কামিয়াব হর হামেশা
পূরণ হচ্ছেই হৃদয় আশা
ওয়ারাউল ওয়ারা মামদূহ মোদের, শাহানশাহী মুহতারাম।